ওয়েব
জিজাইন শিখতে আসা শিক্ষার্থীদের মনে থাকে নানান প্রশ্ন আর কাজটির প্রতি
ভয়ও। প্রাথমিক পর্যায়ের যারা ওয়েব ডিজাইন শিখতে আগ্রহী তাদের জন্য নানান
বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক পোস্ট এটি। আশা করি নতুনরা পোস্টটি পড়ে ওয়েব
ডিজাইন শিখার ক্ষেত্রে সঠিক দিক নির্দেশনা পাবে।
নিচে নতুন ওয়েব ডিজাইন শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক পর্যায়ের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করছি।
১. কি জানতে হবে তা-ই জানি না
webdesigner
একেবারে নতুন কেউ ওয়েব ডিজাইন শিখতে আসলে জানে না যে কি কি জানতে হবে। অনেকে নিজেকে ওয়েব ডিজাইনারের ক্যারিয়ারের সাথে সামঞ্জস্য করতে পারবে কিনা এটি নিয়েও সন্দিহান থাকে। অনলাইনে যারা নিজে নিজে চেস্টা করে যায় তাদের অনেকেরই প্রাথমিক বিষয়টা ধারণা না থাকায় সঠিকবাবে প্রশ্নও করতে পারে না। আর অভিজ্ঞদের প্রশ্ন করলে তারা অনেক সময় বিরক্তও হতে পারে কারন যে প্রশ্নটি কারা উচিৎ তা হয়তো করা হয় নি। হয়তো একটি ধাপের কাজ না শিখেই আরেকটি ধাপের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাখ করে ও প্রশ্ন করে ।
ওয়েব ডিজাইন ক্যারিয়ারে প্রবেশে একেবারে নতুন অনেকে আমাকে ফোন করেছে এবং তাদের সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি- ওয়েব ডিজাইনিং এ তাদের প্রাথমিক দিক নির্দেশনা প্রয়োজন।
২. কিভাবে শুরু করবো?
web_design_team
প্রত্যেকের ওয়েব ডিজাইন শুরু করার পদ্ধতিটি এক রকম হবে না। বেশ কয়েক ধরনের নতুন মুখ দেখা যায়। কারো কারো কম্পিউটারের হাতে খড়ি পর্যন্ত নাই। তাদের জন্য শুরু করার পদ্ধতি এক রকম হবে। আবার কারো কারো প্রাথমিক অনেক কিছুই জানা আছে। তাদের ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে এগিয়ে যেতে হবে। কিন বিষয়ের পরে কি শিখবে এ ব্যাপারে অনেকেরই সঠিক ধারণা নাও থাকতে পারে। আপনি যদি এইচটিএমএল সিএসএস না জেনেই বিভিন্ন সিএমএসগুলো নিয়ে কাজ করতে শুরু করেন তাহলে বেশি দুর এগিয়ে যেতে পারবেন না। ফ্রি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলো মূলতঃ কাস্টমাইজ করতে হয় এবং বেশিভাগই পিএইচপি দিয়ে তৈরী। তাই কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে হাত দেওয়ার আগে আপনাকে এইচটিএমএল, সিএসএস ও বেসিক পিএইচপি জেনে নিলে অনেক বেশি কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন। এরকম অনেক বিষয় জানাটা নতুনদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়ায়।
৩. নিজের কাজগুলো নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকা
unhappy
নিজের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকতে থাকতে অনেকে ওয়েব ডিজাইনিং ক্যারিয়ারটিকে অনেক কঠিন ভেবে এক সময় আর এই পেশায় আসতে পারে না। আপনি ওয়েব ডিজাইনিং শুরু করলে প্রথমে আপনাকে নিজের কাজগুলো কে ভালবাসতে শিখতে হবে। আপনি ছোট ছোট প্রোজেক্ট বানানোর চেস্টা করুন। আর ডিজাইনটিকে বেশি বড় না করে এটির সৌন্দর্য বৃদ্ধির চেস্টা করুন। আপনার ছোট প্রোজেক্টগুলো যখন আপনার ভাল মনে হবে এবং আপনি এটিকে অনলাইনে প্রকাশ করার মতো মনে করবেন ঠিক তখনই আরেকটু বড় ডিজাইনে হাত বাড়ান। প্রথমে দশ/বারটি এক পাতার ওয়েব পেজ প্রোজেক্ট বানালে এব ভিতরে দুই তিনটি ডিজাইন ভাল হলেই সন্তুষ্ট থাকুন এবং নিজেকে একটু বড় কোডিং এর জন্য প্রস্তুত করুন। একটি সম্পুর্ণ ওয়েবসাইট বানাতে গেলে প্রথমদিকে বেশ কিছু কাজ হয়তো পারবেন না। আর সেই না পারা জিনিসগুলো রপ্ত করাই একটা চ্যালেঞ্জ।
৪. ওয়েব ডিজাইন একটি কাজ নয় অনেক কাজের সমষ্টি
html5-css3-php-ajax-mysql
কখনো মন খারাপ করা যাবে না যে আমি ওয়েব ডিজাইনের অনেক কাজই জানি না। আসলে ওয়েব ডিজাইন এত বিশাল একটি কাজের সমষ্টি যার সব কাজ কোন একজন পারে না। সবাই কিছু অংশ পারে আরেকটা অংশ পারে না। আপনাকে অবশ্যই আপনার কাজের পরিধিকে বড় করার চেষ্টাই আপনাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
তবে আপনাকে কোন একটি প্রোজেক্ট দেখে বুঝতে হবে এই প্রোজেক্ট তৈরী করতে কি কি জানতে হবে। বাস্তব জীবনে অনেকেই কাজ করার সময় না জানা অংশটি শিখে নেয়। আর এজন্য গুগল সার্চ, ওয়েব ডিজাইন ব্লগ ও ফোরাম অনুসরণ করতে পারেন।
৫. প্রাকটিস করার পদ্ধতি না জানা
practice
ডিজাইনের ক্লাসের সাথে সাথে এগিয়ে না গেলে দেখা যাবে ক্লাস শেষ হয়ে গেছে কিন্তু শেখা হয় নি কিছুই। অনেক বেশি সময় প্র্যাকটিস করতে হবে এবং ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে।
প্রায় সময়ই না বুঝে কাজ করতে গেলে অনেক কাজই মাঝখানে বাদ পরে যাবে।
আশা করি নতুনদের দিক নির্দেশনামূলক এই পোস্টটি আপনার কাজের সহায়ক হবে। ধন্যবাদ।
নিচে নতুন ওয়েব ডিজাইন শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক পর্যায়ের সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করছি।
১. কি জানতে হবে তা-ই জানি না
webdesigner
একেবারে নতুন কেউ ওয়েব ডিজাইন শিখতে আসলে জানে না যে কি কি জানতে হবে। অনেকে নিজেকে ওয়েব ডিজাইনারের ক্যারিয়ারের সাথে সামঞ্জস্য করতে পারবে কিনা এটি নিয়েও সন্দিহান থাকে। অনলাইনে যারা নিজে নিজে চেস্টা করে যায় তাদের অনেকেরই প্রাথমিক বিষয়টা ধারণা না থাকায় সঠিকবাবে প্রশ্নও করতে পারে না। আর অভিজ্ঞদের প্রশ্ন করলে তারা অনেক সময় বিরক্তও হতে পারে কারন যে প্রশ্নটি কারা উচিৎ তা হয়তো করা হয় নি। হয়তো একটি ধাপের কাজ না শিখেই আরেকটি ধাপের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাখ করে ও প্রশ্ন করে ।
ওয়েব ডিজাইন ক্যারিয়ারে প্রবেশে একেবারে নতুন অনেকে আমাকে ফোন করেছে এবং তাদের সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি- ওয়েব ডিজাইনিং এ তাদের প্রাথমিক দিক নির্দেশনা প্রয়োজন।
২. কিভাবে শুরু করবো?
web_design_team
প্রত্যেকের ওয়েব ডিজাইন শুরু করার পদ্ধতিটি এক রকম হবে না। বেশ কয়েক ধরনের নতুন মুখ দেখা যায়। কারো কারো কম্পিউটারের হাতে খড়ি পর্যন্ত নাই। তাদের জন্য শুরু করার পদ্ধতি এক রকম হবে। আবার কারো কারো প্রাথমিক অনেক কিছুই জানা আছে। তাদের ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে এগিয়ে যেতে হবে। কিন বিষয়ের পরে কি শিখবে এ ব্যাপারে অনেকেরই সঠিক ধারণা নাও থাকতে পারে। আপনি যদি এইচটিএমএল সিএসএস না জেনেই বিভিন্ন সিএমএসগুলো নিয়ে কাজ করতে শুরু করেন তাহলে বেশি দুর এগিয়ে যেতে পারবেন না। ফ্রি কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলো মূলতঃ কাস্টমাইজ করতে হয় এবং বেশিভাগই পিএইচপি দিয়ে তৈরী। তাই কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে হাত দেওয়ার আগে আপনাকে এইচটিএমএল, সিএসএস ও বেসিক পিএইচপি জেনে নিলে অনেক বেশি কাস্টমাইজেশন করতে পারবেন। এরকম অনেক বিষয় জানাটা নতুনদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়ায়।
৩. নিজের কাজগুলো নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকা
unhappy
নিজের কাজ নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকতে থাকতে অনেকে ওয়েব ডিজাইনিং ক্যারিয়ারটিকে অনেক কঠিন ভেবে এক সময় আর এই পেশায় আসতে পারে না। আপনি ওয়েব ডিজাইনিং শুরু করলে প্রথমে আপনাকে নিজের কাজগুলো কে ভালবাসতে শিখতে হবে। আপনি ছোট ছোট প্রোজেক্ট বানানোর চেস্টা করুন। আর ডিজাইনটিকে বেশি বড় না করে এটির সৌন্দর্য বৃদ্ধির চেস্টা করুন। আপনার ছোট প্রোজেক্টগুলো যখন আপনার ভাল মনে হবে এবং আপনি এটিকে অনলাইনে প্রকাশ করার মতো মনে করবেন ঠিক তখনই আরেকটু বড় ডিজাইনে হাত বাড়ান। প্রথমে দশ/বারটি এক পাতার ওয়েব পেজ প্রোজেক্ট বানালে এব ভিতরে দুই তিনটি ডিজাইন ভাল হলেই সন্তুষ্ট থাকুন এবং নিজেকে একটু বড় কোডিং এর জন্য প্রস্তুত করুন। একটি সম্পুর্ণ ওয়েবসাইট বানাতে গেলে প্রথমদিকে বেশ কিছু কাজ হয়তো পারবেন না। আর সেই না পারা জিনিসগুলো রপ্ত করাই একটা চ্যালেঞ্জ।
৪. ওয়েব ডিজাইন একটি কাজ নয় অনেক কাজের সমষ্টি
html5-css3-php-ajax-mysql
কখনো মন খারাপ করা যাবে না যে আমি ওয়েব ডিজাইনের অনেক কাজই জানি না। আসলে ওয়েব ডিজাইন এত বিশাল একটি কাজের সমষ্টি যার সব কাজ কোন একজন পারে না। সবাই কিছু অংশ পারে আরেকটা অংশ পারে না। আপনাকে অবশ্যই আপনার কাজের পরিধিকে বড় করার চেষ্টাই আপনাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
তবে আপনাকে কোন একটি প্রোজেক্ট দেখে বুঝতে হবে এই প্রোজেক্ট তৈরী করতে কি কি জানতে হবে। বাস্তব জীবনে অনেকেই কাজ করার সময় না জানা অংশটি শিখে নেয়। আর এজন্য গুগল সার্চ, ওয়েব ডিজাইন ব্লগ ও ফোরাম অনুসরণ করতে পারেন।
৫. প্রাকটিস করার পদ্ধতি না জানা
practice
ডিজাইনের ক্লাসের সাথে সাথে এগিয়ে না গেলে দেখা যাবে ক্লাস শেষ হয়ে গেছে কিন্তু শেখা হয় নি কিছুই। অনেক বেশি সময় প্র্যাকটিস করতে হবে এবং ধারাবাহিকভাবে কাজ করতে হবে।
প্রায় সময়ই না বুঝে কাজ করতে গেলে অনেক কাজই মাঝখানে বাদ পরে যাবে।
আশা করি নতুনদের দিক নির্দেশনামূলক এই পোস্টটি আপনার কাজের সহায়ক হবে। ধন্যবাদ।