একবার আলী (রাঃ) জনৈক ইহুদীকে কোন এক যুদ্ধ ক্ষেত্রে ধরাশায়ী করে ফেলেন এবং হত্যা করার সংকল্প করে লোকটির বুকের উপর চড়ে বসেন। তার গলায় তরবারী চালাবেন। ঠিক সেই মুহূর্তে লোকটি নিচ থেকে হযরত আলী (রাঃ) এর গালে থু থু নিক্ষেপ করে। এতে স্বভাবতঃ তার আক্রোশ আরও বেড়ে যায়।তৎক্ষণাৎ লোকটিকে হ</span><span style="font-size: medium;">ত্যা করে ফেলার কথা ছিল। কিন্তু তিনি তা না করে সঙ্গে সঙ্গে তার বুকের উপর থেকে সরে দাঁড়ান এবং তাকে ছেড়ে দেন। এ দেখে ইহুদী লোকটি ভাবল, আমার এ আচারণের পর তো আমাকে কোণক্রমেই জ্যান্ত ছাড়ার কথা নয়। কিন্তু তিনি করলেন তার উল্টো। তাই অবাক- বিস্ময়ে লোকটি জিজ্ঞাসা করল, কাফির মনে করেই তো আপনি আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন, তাহলে থু থু নিক্ষেপের পর আপনি আমাকে ছেড়ে দিলেন কেন? এ আচারণে আমার কুফর দূর হয় নি, পূর্বের স্বভাবও পরিবর্তন হয়নি বরং এতে তো আমার ধৃষ্টতা আরো বেড়ে গেছে।
উত্তরে হযরত আলী (রাঃ) বলেন, তুমি ঠিকই ধরেছ, তোমার এ আচারণের পর তোমাকে মুক্তি দেওয়া রীতিমত সত্যিই বিস্ময়কর। কিন্তু কথা হল, প্রথমে যখন তোমার উপর আমি আক্রমন করেছিলাম, তখন আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া আমার আর কোন উদ্দেশ্য ছিল না । কিন্তু যখন তুমি আমার গায়ে থুথু নিক্ষেপ করলে তখন আমার মনে রাগ ও প্রতিশোধ স্পৃহা সৃষ্টি হয়। আমি দেখলাম, তোমাকে হত্যা করা এখন আর শুধু আল্লাহর জন্য হবে না বরং তাতে প্রবৃত্তির ও কিছু মিশ্রন হয়ে যাবে। তাই নফসের জন্য আমি কাজ করে নিজের আমলকে নষ্ট করা আমি পছন্দ করিনি।এ কারনে তোমাকে মুক্তি দিয়ে দিলাম।
ইহুদী লোকটি উপল্বদি করে যে, বাস্তবিকই ইসলাম সত্য ধর্ম, যাতে শিরকের প্রতি এত অনীহা ও ঘৃণা রয়েছে যে, কোন কাজ নফসের জন্য করে না বরং একমাত্র আল্লাহর জন্য করে।
ইহুদী লোকটি উপল্বদি করে যে, বাস্তবিকই ইসলাম সত্য ধর্ম, যাতে শিরকের প্রতি এত অনীহা ও ঘৃণা রয়েছে যে, কোন কাজ নফসের জন্য করে না বরং একমাত্র আল্লাহর জন্য করে।