আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত; রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ তিনটি মসজিদ ব্যতিত অন্য কোন স্থানে জিয়ারতের উদ্দেশ্যে সফর করা যাবেনা, মসজিদ তিনটি ( হল-) আল-মাসজিদ আল-হারাম (মক্কায়), আমার এই মাসজিদ (মদিনায়) এবং আল-মাসজিদ আল-আকসা (জেরুজালেমে)।
সহীহ বুখারী ও মুসলিম।আয়শাহ (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলনে,উম্মু সালামাহ রাসূলুল্লাহ (সা) এর নিকট একটি গির্জার কথা উল্লেখ করলেন। যা তিনি হাবাসা (আবিসিনিয়ায়) দেখেছেন। আর ঐ গির্জার মধ্যে অনেকগুলো ছবি রয়েছে। অতঃপর নবী (সা) বললেন এরা ঐ সমস্ত লোক যখন তাদের মধ্যে কোন সৎ ব্যক্তি বা সৎ বান্দা মারা যায় তখন তারা তার কবরের উপর মসজিদ (ইবাদত খানা) বানিয়ে নেয় এবং তাতে এ ছবিগুলো তারা তৈরী করে। আল্লাহর নিকট এরাই হল সবচেয়ে নিকৃষ্ট সৃষ্টি জীব। এরা দু’টি ফিতনার মধ্যে একত্র হয়েছে। কবরের ফিৎনা এবং মূর্তীর ফিতনাহ। -সহীহ বুখারী ও মুসলিম।
আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেছেনঃ রাসূল (সা) কবর জিয়ারতকারিনী মহিলাদেরকে এবং যারা কবরকে মাসজিদে পরিনত করে (অর্থাৎ কবরে যারা সালাত পড়ে) আর যারা কবরে বাতি জ্বালায় তাদেরকে লা’নত করছেনে। – তিরমিযী,আবু দাউদ ২য় খন্ড ,নাসাঈ, ইবন মাজা।
প্রিয় পাঠক, আসুন যারা মুসলমান হিসাবে দাবি করি তারা ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করি। হয়তো আমাদের মধ্যেই আছে যারা মাজারে যায়, তাদেরকে জ্ঞান ও হিকমার সাথে বুঝাই, আল্লাহ আমাদের এই মাজার হতে রক্ষা করুক আমীন..
আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত; তিনি বলেছেনঃ রাসূল (সা) কবর জিয়ারতকারিনী মহিলাদেরকে এবং যারা কবরকে মাসজিদে পরিনত করে (অর্থাৎ কবরে যারা সালাত পড়ে) আর যারা কবরে বাতি জ্বালায় তাদেরকে লা’নত করছেনে। – তিরমিযী,আবু দাউদ ২য় খন্ড ,নাসাঈ, ইবন মাজা।
প্রিয় পাঠক, আসুন যারা মুসলমান হিসাবে দাবি করি তারা ন্যায়ের আদেশ ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করি। হয়তো আমাদের মধ্যেই আছে যারা মাজারে যায়, তাদেরকে জ্ঞান ও হিকমার সাথে বুঝাই, আল্লাহ আমাদের এই মাজার হতে রক্ষা করুক আমীন..