তারা আল্লাহর পরিবর্তে এমন কিছুর পূজা করে, যার কোন সনদ নাযিল করা হয়নি এবং সে সম্পর্কে তাদের কোন জ্ঞান নেই। বস্তুতঃ জালেমদের কোন সাহায্যকারী নেই। (২২.সূরা হাজ্জ্ব, আয়াত-৭১)।জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলনেঃ রাসূলুল্লাহ (সা) কবর চুনকাম অর্থাৎ-পাকা করতে কবররে উপর বসতে এবং কবরের উপর গুম্বুজ তৈরী করতে নিষেধ করেছেন। (মুসলমি ১ম খন্ড, আবূ দাউদ ২য় খন্ড)।
কবর যিয়ারত করার কথা হাদীস দ্বারা সাব্যস্ত। কবরে, শায়িত ব্যক্তির জন্য দু’আ করা যায় কারণ সে জীবিত ব্যক্তিদের কাছে মুখাপেক্ষী তার জন্য দু’আ করলে তার কাজে লাগবে।
কিন্তু যদি তার কাছে কোন কিছু চাই তাহলে সেটা হবে শীর্কের নামান্তর।
রাসূল (সা) বলেছেন যদি জুতার ফিতা ছিড়ে যায় তাহলে আল্লাহর নিকট চাও, এমনকি ঘরে লবন না থাকলেও তা আল্লাহর নিকট চাও।
তাহলে কেন আমরা সন্তান,ধন-সম্পদ, ক্ষমতা,লেখাপড়া ইত্যাদি চাচ্ছি বিভিন্ন মাজারে গিয়ে?
কিন্তু যদি তার কাছে কোন কিছু চাই তাহলে সেটা হবে শীর্কের নামান্তর।
রাসূল (সা) বলেছেন যদি জুতার ফিতা ছিড়ে যায় তাহলে আল্লাহর নিকট চাও, এমনকি ঘরে লবন না থাকলেও তা আল্লাহর নিকট চাও।
তাহলে কেন আমরা সন্তান,ধন-সম্পদ, ক্ষমতা,লেখাপড়া ইত্যাদি চাচ্ছি বিভিন্ন মাজারে গিয়ে?