বাংলাদেশের
জন্য আউটসোর্সিংই হচ্ছে এ সময়ের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য টেকসই কর্মক্ষেত্র।
ভারত ২০০৯ সালে এ খাতে পাঁচ হাজার কোটি ডলার আয় করেছে। একই বছর চীন আয়
করেছে ১১ হাজার ৮০ কোটি ডলার। শুধু
যুক্তরাষ্ট্রই বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি ডলারের আউটসোর্সিং করাচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস 'ওডেঙ্'-এ বাংলাদেশের
বর্তমান অবস্থান তৃতীয়। বাংলাদেশ প্রতিযোগী দেশগুলোর তু...লনায় ৪০ শতাংশ
কম দামে আউটসোর্সিং করায় বিশ্ববাজারে দ্রুত জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ
রয়েছে। মাত্র দু-এক মাসের ট্রেনিং নিয়ে ছোট ছোট কাজ করে অনায়াসেই ঘরে
বসে মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করা যায়। কাজ শিখে গৃহিণীরাও ঘরে বসে এ
টাকা আয় করতে পারেন। এ জন্য ইন্টারনেটের মার্কেট প্লেসগুলোয় কী ধরনের
কাজ দেওয়া হয়, তা করতে কী যোগ্যতা লাগবে তা দেখে নিজেকে প্রস্তুত করতে
হবে। ইংরেজিতেও কিছুটা দক্ষতা প্রয়োজন। এ ছাড়া দলবদ্ধভাবে বড় কাজ বিট
করে নিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকাও আয় করা যায়। তবে কেউ যদি এটাকে পেশা হিসেবে
নিতে চান তবে তাকে নিয়মিত কাজের ধরনের সঙ্গে নিজেকে আপডেট রাখতে হবে।
বাংলাদেশ ইনফরমেশন অ্যান্ড সফটওয়ার সার্ভিসেস (বেসিস)-এর সহসভাপতি এ কে এম
ফাহিম মাশরুর বলেন, পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে পারলে এ খাতের আয়
গার্মেন্টস খাতকেও ছাড়িয়ে যাবে। পাশাপাশি বেকারত্বও দূর হবে। এ ক্ষেত্রে
সরকারি-বেসরকারি উভয় পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়া দরকার।বাংলাদেশের জন্য আউটসোর্সিং
বাংলাদেশের
জন্য আউটসোর্সিংই হচ্ছে এ সময়ের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য টেকসই কর্মক্ষেত্র।
ভারত ২০০৯ সালে এ খাতে পাঁচ হাজার কোটি ডলার আয় করেছে। একই বছর চীন আয়
করেছে ১১ হাজার ৮০ কোটি ডলার। শুধু
যুক্তরাষ্ট্রই বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি ডলারের আউটসোর্সিং করাচ্ছে।
বিশ্বের অন্যতম একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস 'ওডেঙ্'-এ বাংলাদেশের
বর্তমান অবস্থান তৃতীয়। বাংলাদেশ প্রতিযোগী দেশগুলোর তু...লনায় ৪০ শতাংশ
কম দামে আউটসোর্সিং করায় বিশ্ববাজারে দ্রুত জায়গা করে নেওয়ার সুযোগ
রয়েছে। মাত্র দু-এক মাসের ট্রেনিং নিয়ে ছোট ছোট কাজ করে অনায়াসেই ঘরে
বসে মাসে ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় করা যায়। কাজ শিখে গৃহিণীরাও ঘরে বসে এ
টাকা আয় করতে পারেন। এ জন্য ইন্টারনেটের মার্কেট প্লেসগুলোয় কী ধরনের
কাজ দেওয়া হয়, তা করতে কী যোগ্যতা লাগবে তা দেখে নিজেকে প্রস্তুত করতে
হবে। ইংরেজিতেও কিছুটা দক্ষতা প্রয়োজন। এ ছাড়া দলবদ্ধভাবে বড় কাজ বিট
করে নিয়ে মাসে লাখ লাখ টাকাও আয় করা যায়। তবে কেউ যদি এটাকে পেশা হিসেবে
নিতে চান তবে তাকে নিয়মিত কাজের ধরনের সঙ্গে নিজেকে আপডেট রাখতে হবে।
বাংলাদেশ ইনফরমেশন অ্যান্ড সফটওয়ার সার্ভিসেস (বেসিস)-এর সহসভাপতি এ কে এম
ফাহিম মাশরুর বলেন, পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে পারলে এ খাতের আয়
গার্মেন্টস খাতকেও ছাড়িয়ে যাবে। পাশাপাশি বেকারত্বও দূর হবে। এ ক্ষেত্রে
সরকারি-বেসরকারি উভয় পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়া দরকার।