কম্পিউটারে গেইম খেলা, টিভির পর্দায় এক দৃষ্টে তাকিয়ে থাকা আজকের
শিশুদের প্রাত্যহিক র্বটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক সময় ধরে কম্পিউটার ও টিভির
পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে শিশুদের চোখের উপর তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রভাব
পড়ছে। এর ফলে শিশু বয়স থেকেই বহু শিশুর চোখের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তবে
অভিভাবকদের একটু সচেতনতা ও যত্ন কিন’ শিশুর মূল্যবান দুটো চোখ সুস’ ও
সুরক্ষিত রাখতে পারে সুদীর্ঘকাল। এ ধরনের কয়েকটি টিপস নিম্নে প্রদত্ত হল-
প্রাথমিক যত্ন
০ বাচ্চার ৩ বছর বয়স থেকে বছরে একবার আই চেক-আপ অবশ্যই করান। বিশেষত বাবা-মায়ের চোখের পাওয়ার যদি হাই হয়।
০ দিনে ৩ থেকে ৪ বার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে বলুন। খুব ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে স্টেরিলাইজড কটন বল পানিতে ভিজিয়ে চোখ মুছিয়ে দিন।
০ ছোটবেলা থেকে চোখের যত্ন নিতে শেখান। চোখ ক্লান্ত লাগলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলা, একটানা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে না থাকা, খুব কাছ থেকে বই না পড়া ইত্যাদি সাধারণ সুঅভ্যাস বজায় রাখতে সাহায্য কর্বন।
০ চড়া রোদ থেকে চোখ বাঁচাবার জন্য চওড়া টুপি আর বাহারি মজাদার সানগ্লাস কিনে দিন।
০ টিভি দেখা এবং গেমস খেলার সময় বেঁধে দিন।
০ শুয়ে শুয়ে বা গাড়িতে বই পড়তে দেবেন না, এতে চোখের ক্ষতি হয়।
০ বাচ্চা যদি চোখে কম দেখে বা মাথাব্যথা নিয়ে কমপ্লেন করে, অবিলম্বে ডাক্তার দেখান।
০ ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ না করে কোনও ধরনের ওষুধ বা আইড্রপ বাচ্চার চোখে প্রয়োগ করবেন না।
যারা চশমা পরে
০ প্রতি ৬ মাস অন্তর আই চেক-আপ করান, যাতে পাওয়ারের তারতম্য হলে সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারেন।
০ বাচ্চাকে পছন্দ মতো চশমার ফ্রেম বাছতে দিন, তা হলে ও চশমা নিয়মিত পরবে।
০ নিয়মিত চশমা পরে থাকার ব্যাপারে স্ট্রিক্ট থাকুন। অনেক সময়ই দেখা যায় যে, অনিয়মিত চশমা পরার জন্যে চোখের পাওয়ার বেড়ে যাচ্ছে।
০ অনিয়মিত চশমা পরার অভ্যেস থাকলে স্কুলে ক্লাস টিচারকেও জানিয়ে রাখুন, যাতে উনিও নজর রাখতে পারেন।
০ ২ থেকে ৩ জোড়া চশমা তৈরি করিয়ে রাখুন। কারণ ছোটাছুটি করে খেলার সময় চশমা ভেঙে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক।
০ যে সব বাচ্চা খেলাধুলো করে বা সাঁতার কাটে, ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে দেয়া যেতে পারে।
কন্ট্যাক্ট লেন্স
০ ডাক্তার রেকমেন্ড না করলে ছোট বাচ্চাদের কন্ট্যাক্ট লেন্স না দেয়াই ভাল। কারণ নিয়মিত যত্ন নেয়ার ঝামেলা আছে।
০ টিনএজারদের চোখে বেশি পাওয়ার থাকলে কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারে।
০ কন্ট্যাক্ট লেন্স পরিষ্কার রাখা, পরা বা খুলে রাখার নিয়ম ডাক্তারের কাছ থেকে ভাল করে জেনে নেয়া খুবই জর্বরি। তার থেকেও বেশি জর্বরি সে নিয়মগুলো মেনে চলা। চোখের হাইজিনের জন্য এটা খুবই গুর্বত্বপূর্ণ।
০ একটা নির্ধারিত সময়ের পর কন্ট্যাক্ট লেন্স বদল করতে হবে। এক লেন্স বেশিদিন পরে থাকলে চোখের বেশ ক্ষতি করে।
০ গোসল করা বা ঘুমানোর সময় কন্ট্যাক্ট লেন্স পরা ক্ষতিকর।
০ অনেক সময় টিনএজাররা কালারড কন্ট্যাক্ট লেন্স বদলাবদলি করে পরে। এটা খুবই অস্বাস’্যকর। কন্ট্যাক্ট লেন্স থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
০ যখন বাচ্চা বারবার হোঁচট খেয়ে পড়ে যাচ্ছে বা ধাক্কা খাচ্ছে।
০ পড়া বা আঁকাজোকা করার সময় মনঃসংযোগ করতে অসুবিধা হচ্ছে।
০ দূরের জিনিস দেখার সময় গলা বাড়িয়ে দেখতে হচ্ছে।
০ খুব কাছ থেকে বই বা খবরের কাগজ পড়ছে।
০ টিভি দেখার সময় চোখ ছোট করে দেখছে বা খুব কাছ থেকে দেখছে।
প্রাথমিক যত্ন
০ বাচ্চার ৩ বছর বয়স থেকে বছরে একবার আই চেক-আপ অবশ্যই করান। বিশেষত বাবা-মায়ের চোখের পাওয়ার যদি হাই হয়।
০ দিনে ৩ থেকে ৪ বার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ পরিষ্কার করতে বলুন। খুব ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে স্টেরিলাইজড কটন বল পানিতে ভিজিয়ে চোখ মুছিয়ে দিন।
০ ছোটবেলা থেকে চোখের যত্ন নিতে শেখান। চোখ ক্লান্ত লাগলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে ফেলা, একটানা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে না থাকা, খুব কাছ থেকে বই না পড়া ইত্যাদি সাধারণ সুঅভ্যাস বজায় রাখতে সাহায্য কর্বন।
০ চড়া রোদ থেকে চোখ বাঁচাবার জন্য চওড়া টুপি আর বাহারি মজাদার সানগ্লাস কিনে দিন।
০ টিভি দেখা এবং গেমস খেলার সময় বেঁধে দিন।
০ শুয়ে শুয়ে বা গাড়িতে বই পড়তে দেবেন না, এতে চোখের ক্ষতি হয়।
০ বাচ্চা যদি চোখে কম দেখে বা মাথাব্যথা নিয়ে কমপ্লেন করে, অবিলম্বে ডাক্তার দেখান।
০ ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ না করে কোনও ধরনের ওষুধ বা আইড্রপ বাচ্চার চোখে প্রয়োগ করবেন না।
যারা চশমা পরে
০ প্রতি ৬ মাস অন্তর আই চেক-আপ করান, যাতে পাওয়ারের তারতম্য হলে সঙ্গে সঙ্গে জানতে পারেন।
০ বাচ্চাকে পছন্দ মতো চশমার ফ্রেম বাছতে দিন, তা হলে ও চশমা নিয়মিত পরবে।
০ নিয়মিত চশমা পরে থাকার ব্যাপারে স্ট্রিক্ট থাকুন। অনেক সময়ই দেখা যায় যে, অনিয়মিত চশমা পরার জন্যে চোখের পাওয়ার বেড়ে যাচ্ছে।
০ অনিয়মিত চশমা পরার অভ্যেস থাকলে স্কুলে ক্লাস টিচারকেও জানিয়ে রাখুন, যাতে উনিও নজর রাখতে পারেন।
০ ২ থেকে ৩ জোড়া চশমা তৈরি করিয়ে রাখুন। কারণ ছোটাছুটি করে খেলার সময় চশমা ভেঙে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক।
০ যে সব বাচ্চা খেলাধুলো করে বা সাঁতার কাটে, ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে দেয়া যেতে পারে।
কন্ট্যাক্ট লেন্স
০ ডাক্তার রেকমেন্ড না করলে ছোট বাচ্চাদের কন্ট্যাক্ট লেন্স না দেয়াই ভাল। কারণ নিয়মিত যত্ন নেয়ার ঝামেলা আছে।
০ টিনএজারদের চোখে বেশি পাওয়ার থাকলে কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে পারে।
০ কন্ট্যাক্ট লেন্স পরিষ্কার রাখা, পরা বা খুলে রাখার নিয়ম ডাক্তারের কাছ থেকে ভাল করে জেনে নেয়া খুবই জর্বরি। তার থেকেও বেশি জর্বরি সে নিয়মগুলো মেনে চলা। চোখের হাইজিনের জন্য এটা খুবই গুর্বত্বপূর্ণ।
০ একটা নির্ধারিত সময়ের পর কন্ট্যাক্ট লেন্স বদল করতে হবে। এক লেন্স বেশিদিন পরে থাকলে চোখের বেশ ক্ষতি করে।
০ গোসল করা বা ঘুমানোর সময় কন্ট্যাক্ট লেন্স পরা ক্ষতিকর।
০ অনেক সময় টিনএজাররা কালারড কন্ট্যাক্ট লেন্স বদলাবদলি করে পরে। এটা খুবই অস্বাস’্যকর। কন্ট্যাক্ট লেন্স থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেন
০ যখন বাচ্চা বারবার হোঁচট খেয়ে পড়ে যাচ্ছে বা ধাক্কা খাচ্ছে।
০ পড়া বা আঁকাজোকা করার সময় মনঃসংযোগ করতে অসুবিধা হচ্ছে।
০ দূরের জিনিস দেখার সময় গলা বাড়িয়ে দেখতে হচ্ছে।
০ খুব কাছ থেকে বই বা খবরের কাগজ পড়ছে।
০ টিভি দেখার সময় চোখ ছোট করে দেখছে বা খুব কাছ থেকে দেখছে।