পবিত্র রামযান মাসে আমাদের সবাই দিনের বেলায়
নিয়ম মেনে চললেও রাতে হয়তো "যেমন খুশি তেমন খাবো" নীতি পালন করে।আর সেই
সাথে ওজনটাও পাল্লা দিয়ে বাড়ে...
আর সেই বেড়ে যাওয়া ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বছরের অন্য সময়টাকে proper rules মেনে চলা উছিত।ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে সহজ ও প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে সুষম খাদ্য তালিকা, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেড এবং ফাইবার আছে, মাঝারি পরিমাণে প্রোটিন আছে এবং কম পরিমাণে ফ্যাট আছে।
এ জন্য যা করতে হবে-
১. আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী এবং আপনার পছন্দ-অপছন্দের খাবার বর্তমান খাদ্যাভ্যাস এবং আপনার কাজের দিকে লক্ষ রেখে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা তৈরি করুন।
২. খাদ্য তালিকায় যাতে আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যথেষ্ট পরিমাণে থাকে সেদিকে লক্ষ রাখুন।
৩. অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া কমাতে সব ধরনের চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
৪. শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে ফল ও শাক-সবজি খাবেন।
৫. অসময়ে খিদে পেলে স্বাস্থ্যসম্মত স্ন্যাক্স খাবেন।যেমন-বাদাম,আপেল অথবা ওটমিল বিস্কিট।
৬. দুপুর এবং রাতের খাবারের মাঝে অথবা খুব খিদে পেলে শুকনো রুটি, টোস্ট বিস্কুট, মৌসুমি ফল, ফলের রস সবজির রস, কিংবা সিদ্ধ শাক-সবজি বা সালাদ খেতে পারেন।
৭. হেলদি ড্রিঙ্কস, এনার্জি ড্রিঙ্কস, সফট ড্রিঙ্কস ইত্যাদি কোমল পানীয় একেবারেই খাবেন না।চটুল টেস্ট ছাড়া এগুল কোন কাজে লাগেনা। মনে রাখবেন, যে কোনো ধরনের কোমল পানীয় মোটা হওয়ার আশঙ্কা ৬০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।
৮. বারবার অল্প করে খাবেন। তবে লাঞ্চ বা ডিনারের সময় অবশ্যই কম খাবেন।
৯. রাতে অবশ্যই পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।
১০. কখনোই স্টার্ভেশানে যাবেন না... ডায়েট বা উপোস করবেন না। এ পদ্ধতিতে দ্রুত ওজন কমানো গেলেও শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে নানাবিধ রোগব্যাধি দেখা দেয়।
আর সেই বেড়ে যাওয়া ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বছরের অন্য সময়টাকে proper rules মেনে চলা উছিত।ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার সবচেয়ে সহজ ও প্রাকৃতিক উপায় হচ্ছে সুষম খাদ্য তালিকা, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেড এবং ফাইবার আছে, মাঝারি পরিমাণে প্রোটিন আছে এবং কম পরিমাণে ফ্যাট আছে।
এ জন্য যা করতে হবে-
১. আপনার কাজের ধরন অনুযায়ী এবং আপনার পছন্দ-অপছন্দের খাবার বর্তমান খাদ্যাভ্যাস এবং আপনার কাজের দিকে লক্ষ রেখে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকা তৈরি করুন।
২. খাদ্য তালিকায় যাতে আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন, মিনারেল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যথেষ্ট পরিমাণে থাকে সেদিকে লক্ষ রাখুন।
৩. অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়া কমাতে সব ধরনের চর্বিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন।
৪. শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখতে প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে ফল ও শাক-সবজি খাবেন।
৫. অসময়ে খিদে পেলে স্বাস্থ্যসম্মত স্ন্যাক্স খাবেন।যেমন-বাদাম,আপেল অথবা ওটমিল বিস্কিট।
৬. দুপুর এবং রাতের খাবারের মাঝে অথবা খুব খিদে পেলে শুকনো রুটি, টোস্ট বিস্কুট, মৌসুমি ফল, ফলের রস সবজির রস, কিংবা সিদ্ধ শাক-সবজি বা সালাদ খেতে পারেন।
৭. হেলদি ড্রিঙ্কস, এনার্জি ড্রিঙ্কস, সফট ড্রিঙ্কস ইত্যাদি কোমল পানীয় একেবারেই খাবেন না।চটুল টেস্ট ছাড়া এগুল কোন কাজে লাগেনা। মনে রাখবেন, যে কোনো ধরনের কোমল পানীয় মোটা হওয়ার আশঙ্কা ৬০ ভাগ বাড়িয়ে দেয়।
৮. বারবার অল্প করে খাবেন। তবে লাঞ্চ বা ডিনারের সময় অবশ্যই কম খাবেন।
৯. রাতে অবশ্যই পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।
১০. কখনোই স্টার্ভেশানে যাবেন না... ডায়েট বা উপোস করবেন না। এ পদ্ধতিতে দ্রুত ওজন কমানো গেলেও শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে নানাবিধ রোগব্যাধি দেখা দেয়।
