জেগে উঠুন আপন আলোয়..........

কোমর ব্যথার চিকিৎসা ও পরামর্শ

বার্ধ্যক্যজনিত বয়সে কোমর ব্যথার প্রধান কারণ হচ্ছে কোমরের হাড় ও ইন্টারভার্টিক্যাল ডিস্কের ক্ষয় এবং কোমরের মাংসপেশির দুর্বলতা। কোমর ব্যথার রোগগুলোকে আমরা, লো-ব্যাক পেইন-লাম্বার স্পান্ডাইলোসিস-প্রোলাপস্‌ ডিস্ক ইত্যাদি রোগ বলে থাকি। এ রোগের কারণ, প্রক্রিয়া ও চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রায় ঘাড় ব্যথা বা সারভাইক্যাল স্পন্ডাইলোসিসের অনুরূপ। তবে রোগীর শরীরের অবস্থান-পোশ্চার সঠিকভাবে রক্ষার গুরুত্ব দিলে অনেক ক্ষেত্রে কোমরের ব্যথা এড়ানো সম্ভব। শক্ত বিছানায় শোয়া, কাত হয়ে বিছানায় শুতে যাওয়া, ওঠা, ভারী জিনিস বহন বা তোলা পরিহার করা, নিয়মিত কোমরের ব্যায়াম করা এবং অসমতল যায়গায় চলাচল না করা ইত্যাদি।
কোমরের ব্যায়ামের ভেতরে উল্লেখযোগ্য চিত হয়ে শুয়ে হাঁটু ভাঁজ করে পিঠ দিয়ে বিছানায় চাপ দেয়া, একই অবস্থায় শুয়ে হাঁটু একত্রে এপাশ ওপাশ চাপ দেয়া, একই অবস্থায় শুয়ে এক পা এক পা করে হাঁটু ভাঁজ করে পেটের সঙ্গে চাপ দেয়া ইত্যাদি। কোমরের ব্যথার রোগীরা ব্যথানাশক ওষুধের সঙ্গে সঙ্গে ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ মোতাবেক শর্টওয়েভ, আলট্রাসাউন্ড, আই,এফটি কোমরের ব্যায়াম ও হাইড্রোথেরাপি অর্থাৎ পানিতে সাঁতার কাটলে উপকার পেতে পারেন।

Popular Posts

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.