চুলকানির রহস্য আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। চুলকানির অনুভূতি সৃষ্টির
জন্য দায়ী স্নায়ুকোষ বা নিউরন শনাক্ত করেছেন তারা। এ আবিষ্কারের ফলে
চুলকানিনিরোধ ওষুধ তৈরিতে যুগান্তকারী উন্নয়ন ঘটবে বলে আশাবাদ
স্বাস্থ্যবিজ্ঞানীদের।

আগে ধারণা করা হতো, ব্যথার অনুভূতি এবং চুলকানির জন্য একই নিউরন কাজ করে। নতুন গবেষণায় জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা দেখেন, এমআরজিপিআরএ৩ নামে এক ধরনের স্নায়ুকোষ বা নিউরন বিশেষভাবে চুলকানির অনুভূতি সৃষ্টি করে। এ স্নায়ুকোষ ব্যথার অনুভূতি তৈরি করে না।
নেচার নিউরোসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে তারা বলেন, এক দশকের বেশি সময় ধরে গবেষণা শেষে এ নিউরন শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসায়েন্টিস্ট শিন জং দং একটি ইঁদুরের জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই নিউরন শনাক্ত করেন। গবেষকদের আশা, এ নিউরন আবিষ্কারের ফলে চুলকানিরোধক ওষুধ তৈরিতে অসামান্য অগ্রগতি হবে। সূত্র :ডেইলি মেইল।

আগে ধারণা করা হতো, ব্যথার অনুভূতি এবং চুলকানির জন্য একই নিউরন কাজ করে। নতুন গবেষণায় জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা দেখেন, এমআরজিপিআরএ৩ নামে এক ধরনের স্নায়ুকোষ বা নিউরন বিশেষভাবে চুলকানির অনুভূতি সৃষ্টি করে। এ স্নায়ুকোষ ব্যথার অনুভূতি তৈরি করে না।
নেচার নিউরোসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত গবেষণা নিবন্ধে তারা বলেন, এক দশকের বেশি সময় ধরে গবেষণা শেষে এ নিউরন শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসায়েন্টিস্ট শিন জং দং একটি ইঁদুরের জিনগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই নিউরন শনাক্ত করেন। গবেষকদের আশা, এ নিউরন আবিষ্কারের ফলে চুলকানিরোধক ওষুধ তৈরিতে অসামান্য অগ্রগতি হবে। সূত্র :ডেইলি মেইল।