বেশিরভাগ মানুষ সকালে চা বা কফির সঙ্গে এক থেকে দুই চামচ চিনি মিশিয়ে
খেয়ে থাকে কিন্তু তারা জানেন না এই অতিরিক্ত চিনি আমাদের দেহের জন্য
ততখানি ক্ষতিকর। কারণ চিনির ক্ষতিকর প্রভাবগুলো খুব অল্প সময়ে চোখে পড়ে
না তাই আমরা সহজে বিশ্বাস করি না, চিনি আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। আর
ক্ষতিকর চিনির উপস্থিতি বেশি দেখা যায় জাংক ফুডে। এছাড়াও প্রক্রিয়াজাত
খাবারে প্রচুর পরিমাণে চিনি এবং অন্যান্য আর্টিফিশিয়াল মিষ্টিতে বিদ্যমান।
আমরা বিভিন্ন খাবার যেমন ফল, শস্য, বাদাম এবং শাক-সবজি থেকে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় এক ধরনের চিনি পেয়ে থাকি। আমরা মনে করি, এসব খাবারে আসলে কোন চিনি থাকে না এজন্য অতিরিক্ত মিষ্টি হিসেবে রিফাইন্ড বা দানাদার চিনি যোগ করি। কিন্তু এই চিনি আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। ব্লিচিং এবং সালফোনেশন পদ্ধতিতে চিনি রিফাইন্ড করা হয় এবং সেখানে সালফার ব্যবহূত হয়। এই সালফার একটি বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান এবং আমরা যখন চিনি বা চিনি জাতীয় যে কোন মিষ্টি দ্রব্য গ্রহণ করি তখন খুব অল্প পরিমাণে এই বিষাক্ত উপাদান আমাদের দেহে প্রবেশ করে।
আমরা বিভিন্ন খাবার যেমন ফল, শস্য, বাদাম এবং শাক-সবজি থেকে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় এক ধরনের চিনি পেয়ে থাকি। আমরা মনে করি, এসব খাবারে আসলে কোন চিনি থাকে না এজন্য অতিরিক্ত মিষ্টি হিসেবে রিফাইন্ড বা দানাদার চিনি যোগ করি। কিন্তু এই চিনি আমাদের দেহের জন্য ক্ষতিকর। ব্লিচিং এবং সালফোনেশন পদ্ধতিতে চিনি রিফাইন্ড করা হয় এবং সেখানে সালফার ব্যবহূত হয়। এই সালফার একটি বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান এবং আমরা যখন চিনি বা চিনি জাতীয় যে কোন মিষ্টি দ্রব্য গ্রহণ করি তখন খুব অল্প পরিমাণে এই বিষাক্ত উপাদান আমাদের দেহে প্রবেশ করে।