- চেইন স্মোকার হন বা ঘন ঘন ধূমপানের অভ্যাস থাকে, প্রথমেই তা ছাড়ুন।
- যাদের ঠোঁটে কালো দাগ রয়েছে তারা কখনই খুব গরম খাবার খাবেন না। খাবার কিছুটা ঠান্ডা করে তারপর খান। কারণ অতিরিক্ত তাপ কালো দাগকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
- ভিটামিন C যুক্ত খাবার খেতে হবে। কারণ ভিটামিন C দেহে মেলানিনের উৎপাদন কমায়।
- প্রতিদিন দুধ খেতে হবে। দুধের ল্যাকটিক অ্যাসিড-এর whitening properties আছে, অর্থাৎ এটি কালো দাগ দূর করতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী।
- দিনে দুই বারের বেশি চা-কফি খাওয়া উচিত নয়।
- প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে, যা ঠোটকে আদ্র রাখতে সাহায্য করবে।
- লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। ধনেপাতার রসও ঠোঁটের কালোভাব দূর করে।
- আর্দ্রতার কারণে যাদের ঠোঁট কালো হয়, তারা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে গ্লিসারিন অথবা আমন্ড তেল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন।
- দুই-এক চামচ লেবুর রসের সঙ্গে নারকেল তেল ও এক চামচ মৌমাছির মোম মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে পারেন। এটি দিনে একবার ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।
- সকালের দাঁত ব্রাশ করার সময় ঠোঁটও আলতো করে ব্রাশ করে নিতে পারেন।
- যাদের ঠোঁটে কালো দাগ রয়েছে তারা কখনই খুব গরম খাবার খাবেন না। খাবার কিছুটা ঠান্ডা করে তারপর খান। অতিরিক্ত তাপ ঠোঁটের কালো দাগকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
- খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সবজি ও ফল রাখুন।
- Cocoa butter এ antioxidants আছে যা ঠোটকে নরম রাখে এবং দূষন থেকে রক্ষা করে।
- বেদানা বা ডালিমের রস খুবই উপকারী।
- সবসময় ঠোঁট আর্দ্র রাখতে চেষ্টা করুন। এক্ষেত্রে Almond oil, নারিকেল তেল, শশার নির্যাস অথবা ভাল মানের lip bum ব্যবহার করতে পারেন।
- সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।
- হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করুন।
- গোলাপের পাপড়ি পিষে এর মধ্যে গ্লিসারিন মিশিয়ে নিন। তা প্রতিদিন ঠোঁটে লাগান। আপনার ঠোঁটের চমক এমনিতেই বেড়ে যাবে।
- আঙুরের রসও লাগাতে পারেন। এতে ঠোঁট ফাটবে না। ঠোঁট গোলাপি করতে হলে গোলাপের পাপড়ির রসের মধ্যে তুলসী পাতার রস মিশিয়েও লাগাতে পারেন। এতে কালো দাগ দূর হবে ।
- কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোঁটে ঘষুন – কালো দাগ তো উঠবেই; সাথে ঠোঁটে গোলাপী ভাব আসবে!